সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকায় ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর যাত্রাবিরতি রাজধানীর তেজগাঁওয়ে গোপন বৈঠক: জঙ্গি সন্দেহে ২৩ জন আটক জ্বালানি সংকটে পাকিস্তান: বিদেশ ভ্রমণ-সরকারি ভোজে নিষেধাজ্ঞা, বিয়েতে এক পদ রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যাবে জাতীয় গ্রিডে আসিফ মাহমুদের দেশ ছাড়ার শঙ্কা, নিষেধাজ্ঞা চাইবে দুদক সংসদ নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা সংশোধন করল ইসি পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে বড় রদবদল, ১১ কর্মকর্তার বদলি-পদায়ন দণ্ডপ্রাপ্তদের অবস্থান শনাক্ত হলে দেশে আনার ব্যবস্থা: চিফ প্রসিকিউটর ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ নেতার মৃত্যুদণ্ড আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১৩ হাজার কোটি টাকার অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুদক

গোপালগঞ্জ হত্যাকাণ্ড ও দুর্নীতির অভিযোগ: এনসিপিকে প্রোটোকল না দেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করল সেনাবাহিনী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০৭:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫ ৯ বার পড়া হয়েছে
বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা:
দেশজুড়ে তীব্র বিতর্ক এবং আন্তর্জাতিক চাপের মুখে এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেনাবাহিনী। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শীর্ষ নেতাদের কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক প্রোটোকল না দেওয়ার অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে সশস্ত্র বাহিনী। সেনাবাহিনীর উচ্চপর্যায়ের সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে এনসিপি নেতাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, ছিনতাই এবং চাঁদাবাজির মতো অসংখ্য গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যে গোপালগঞ্জে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। অভিযোগ রয়েছে, কেন্দ্রীয় এনসিপি নেতাদের বাঁচাতে গিয়ে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে যে অভিযান চালানো হয়, যা পরবর্তীতে গণহত্যায় রূপ নেয়। এই ঘটনার পর থেকেই আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা এবং বিভিন্ন প্রভাবশালী দেশ সরকারের ওপর তীব্র চাপ সৃষ্টি করে।
সেনাবাহিনীর একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছে, “এনসিপি নেতাদের কর্মকাণ্ড এবং এর ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতি সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তিকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে। গোপালগঞ্জের ঘটনা আন্তর্জাতিক মহলে আমাদের ভূমিকাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে সেনাবাহিনী কোনো দুর্নীতিগ্রস্ত বা বিতর্কিত রাজনৈতিক গোষ্ঠীর সহযোগী হিসেবে পরিচিত হতে পারে না।”
সূত্রটি আরও জানায়, এই সিদ্ধান্তটি বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ে দীর্ঘ আলোচনার পর নেওয়া হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে এনসিপি নেতারা রাষ্ট্রীয় কোনো অনুষ্ঠানে বা ব্যক্তিগত চলাফেরার ক্ষেত্রে সেনাবাহিনীর প্রোটোকল, নিরাপত্তা বা আনুষ্ঠানিক কোনো সুযোগ-সুবিধা পাবেন না। এটিকে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এনসিপির সঙ্গে দূরত্ব তৈরির একটি স্পষ্ট বার্তা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সেনাবাহিনীর এই পদক্ষেপ দেশের রাজনীতিতে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে। এতদিন ধরে এনসিপি নেতারা যে ধরনের রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা ও সুযোগ ভোগ করে আসছিলেন, তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের রাজনৈতিক প্রভাব এবং ক্ষমতার দাপট অনেকটাই কমে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে, এই সিদ্ধান্ত দুর্নীতির বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর কঠোর অবস্থানকেও প্রকাশ করল।
জ/ক

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য