সংবাদ শিরোনাম :
রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যাবে জাতীয় গ্রিডে আসিফ মাহমুদের দেশ ছাড়ার শঙ্কা, নিষেধাজ্ঞা চাইবে দুদক সংসদ নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা সংশোধন করল ইসি পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে বড় রদবদল, ১১ কর্মকর্তার বদলি-পদায়ন দণ্ডপ্রাপ্তদের অবস্থান শনাক্ত হলে দেশে আনার ব্যবস্থা: চিফ প্রসিকিউটর ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ নেতার মৃত্যুদণ্ড আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১৩ হাজার কোটি টাকার অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুদক মেসিকে ছাড়াই নতুন যুগের শুরু আর্জেন্টিনার, দলে আসছে একাধিক চমক জোর করে শিক্ষককে পদত্যাগে বাধ্য করার বৈধতা নেই, পুনর্বহালের নির্দেশ হাইকোর্টের আ. লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের বৈধতা নিয়ে রিট খারিজ

আসিফ মাহমুদের দেশ ছাড়ার শঙ্কা, নিষেধাজ্ঞা চাইবে দুদক

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:২৭:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

আসিফ মাহমুদের দেশ ছাড়ার শঙ্কা, নিষেধাজ্ঞা চাইবে দুদক

সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অনুসন্ধান চলাকালে তিনি দেশ ছেড়ে বিদেশে যেতে পারেন—এমন আশঙ্কায় তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি।

দুদকের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে *আজকের পত্রিকা*। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে চলমান অনুসন্ধান যাতে বাধাগ্রস্ত না হয়, সে জন্য তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করবে দুদক।

দুদকের ওই কর্মকর্তা বলেন, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধান চলাকালে তিনি বিদেশে চলে গেলে তদন্ত কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থপাচার, সরকারি পদে নিয়োগ ও পদায়নে অর্থ লেনদেন, টেন্ডার-বাণিজ্য এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। এসব অভিযোগের তথ্য-উপাত্ত যাচাইয়ের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও নথিপত্রের বিষয়ে অনুসন্ধান চালাচ্ছে দুদক।

দুদকের কাছে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বিদেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগও এসেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, দুবাই, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া ও সুইজারল্যান্ডে এসব অর্থ পাচার করে বিলাসবহুল সম্পদ কেনা এবং ব্যবসায় বিনিয়োগ করা হয়েছে।

তবে দুদক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অর্থপাচারসহ এসব বিষয় এখনো অভিযোগের পর্যায়েই রয়েছে। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করতে অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধান শেষে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আসিফ মাহমুদের দেশ ছাড়ার শঙ্কা, নিষেধাজ্ঞা চাইবে দুদক

আপডেট সময় : ০৭:২৭:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অনুসন্ধান চলাকালে তিনি দেশ ছেড়ে বিদেশে যেতে পারেন—এমন আশঙ্কায় তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি।

দুদকের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে *আজকের পত্রিকা*। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে চলমান অনুসন্ধান যাতে বাধাগ্রস্ত না হয়, সে জন্য তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করবে দুদক।

দুদকের ওই কর্মকর্তা বলেন, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধান চলাকালে তিনি বিদেশে চলে গেলে তদন্ত কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থপাচার, সরকারি পদে নিয়োগ ও পদায়নে অর্থ লেনদেন, টেন্ডার-বাণিজ্য এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। এসব অভিযোগের তথ্য-উপাত্ত যাচাইয়ের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও নথিপত্রের বিষয়ে অনুসন্ধান চালাচ্ছে দুদক।

দুদকের কাছে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বিদেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগও এসেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, দুবাই, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া ও সুইজারল্যান্ডে এসব অর্থ পাচার করে বিলাসবহুল সম্পদ কেনা এবং ব্যবসায় বিনিয়োগ করা হয়েছে।

তবে দুদক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অর্থপাচারসহ এসব বিষয় এখনো অভিযোগের পর্যায়েই রয়েছে। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করতে অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধান শেষে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।