পর্তুগালের রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন বাংলাদেশের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত
- আপডেট সময় : ১১:৪৫:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
পর্তুগালে নবনিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. এস এম কামরুল হাসান সোমবার (১৯ অক্টোবর) লিসবনের বেলেম প্রাসাদে পর্তুগিজ প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতির কাছে তাঁর পরিচয়পত্র পেশ করেছেন এবং আনুষ্ঠানিকভাবে পর্তুগালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে তাঁর দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন।
এই পরিচয়পত্র পেশ বাংলাদেশ-পর্তুগাল সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক এবং এটি পর্তুগালের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বকে আরও শক্তিশালী করতে ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণে বাংলাদেশের অঙ্গীকারকে পুনর্ব্যক্ত করে।
পর্তুগালের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত কামরুল প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি এবং বাংলাদেশ সরকার প্রধানের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিবাদন জ্ঞাপন করেন। তিনি ঢাকায় একটি স্থায়ী পর্তুগিজ কূটনৈতিক মিশন প্রতিষ্ঠার গুরুত্বের ওপর জোর দেন এবং উল্লেখ করেন যে, এই পদক্ষেপ ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা সহজতর করবে, প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ককে শক্তিশালী করবে এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা প্রসারিত করবে। তিনি একটি দ্বিপাক্ষিক গতিশীলতা কাঠামোর অধীনে সহযোগিতা কার্যকর ও এগিয়ে নেওয়া, নিয়মিত ও সুশৃঙ্খল অভিবাসনকে উৎসাহিত করা এবং বিদ্যমান বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাস করার প্রয়োজনীয়তার ওপরও আলোকপাত করেন। জনগণের মধ্যে সংযোগের গুরুত্ব তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত সরাসরি বিমান সংযোগ স্থাপনে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
পর্তুগালের রাষ্ট্রপতি পর্তুগালে বসবাসরত বাংলাদেশী সম্প্রদায়ের অবদানকে স্বীকার ও প্রশংসা করেন এবং পর্তুগিজ সমাজে তাদের একীভূত হওয়ার গুরুত্বের ওপর জোর দেন। আলোচনায় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, সামুদ্রিক বিষয়াবলী, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) এবং জনগণের মধ্যে আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে সহযোগিতা গভীর করার সুযোগগুলোর ওপরও আলোকপাত করা হয়।
লিসবনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস দুই দেশের অভিন্ন স্বার্থ এগিয়ে নিতে, অর্থনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করতে এবং উভয় দেশের জনগণের পারস্পরিক কল্যাণে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বকে বাস্তব রূপ দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।










