সংবাদ শিরোনাম :
আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১৩ হাজার কোটি টাকার অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুদক মেসিকে ছাড়াই নতুন যুগের শুরু আর্জেন্টিনার, দলে আসছে একাধিক চমক জোর করে শিক্ষককে পদত্যাগে বাধ্য করার বৈধতা নেই, পুনর্বহালের নির্দেশ হাইকোর্টের আ. লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের বৈধতা নিয়ে রিট খারিজ ব্রিকসের যৌথ ঘোষণায় সম্মতি, একতরফা যুদ্ধের নিন্দা জানাবে জোট কারিগরি ত্রুটিতে আদানির এক ইউনিট বন্ধ, বাড়ছে লোডশেডিং ফিল্ড ফায়ারিংয়ে দুর্ঘটনা: আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে সিএমএইচে প্রধানমন্ত্রী হজ কার্যক্রমে অংশ নিতে অনুমতি পেল ৭০২ এজেন্সি সৌদি আরবের অনুরোধে সাড়া দেননি ট্রাম্প মাকে শেষবিদায় জানিয়ে কারাগারে ফিরলেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস

জোর করে শিক্ষককে পদত্যাগে বাধ্য করার বৈধতা নেই, পুনর্বহালের নির্দেশ হাইকোর্টের

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৯:১৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

জোর করে শিক্ষককে পদত্যাগে বাধ্য করার বৈধতা নেই, পুনর্বহালের নির্দেশ হাইকোর্টের

কোনো শিক্ষকের কাছ থেকে জোর করে নেওয়া পদত্যাগপত্রের আইনগত বৈধতা নেই বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করা শিক্ষককে স্বপদে পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়ন না করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ বাতিল, পর্ষদের সভাপতিকে অপসারণ এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের এমপিও বন্ধের মতো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশও করেছেন হাইকোর্ট।

গাজীপুরের কালিয়াকৈরের গোলাম নবী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলকাছ উদ্দিন আহমেদকে জোর করে পদত্যাগে বাধ্য করার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে এ রায় দেওয়া হয়।

বিচারপতি মো. ইকবাল কবির ও বিচারপতি এস এম সাইফুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ২০ আগস্ট রুল নিষ্পত্তি করে এ রায় দেন। বিচারপতিদের স্বাক্ষরের পর সম্প্রতি রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়েছে।

রায়ে হাইকোর্ট বলেন, রিটকারীর পদত্যাগপত্র স্বেচ্ছায় বা নিজের ইচ্ছায় দেওয়া হয়নি; বরং তার স্বাক্ষর জোরপূর্বক নেওয়া হয়েছিল। এ ধরনের পদত্যাগের কোনো আইনগত বৈধতা নেই। আইন বা বিধি জোরপূর্বক কিংবা চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে নেওয়া পদত্যাগকে সমর্থন করে না।

যেভাবে মামলা

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, মো. আলকাছ উদ্দিন আহমেদ গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার গোলাম নবী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট একদল দুষ্কৃতকারী তার অনিচ্ছা সত্ত্বেও জোর করে একটি পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর নেয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরদিন এ ঘটনায় কালিয়াকৈর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন আলকাছ উদ্দিন।

পরে ২০ আগস্ট জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং ২৪ আগস্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে বিষয়টি জানান তিনি। একই সঙ্গে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছেও আইনি প্রতিকার ও হস্তক্ষেপ চেয়ে আবেদন করেন।

ঘটনার বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আলকাছ উদ্দিন আহমেদকে স্বপদে বহাল করার নির্দেশ দেয় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। তবে সেই নির্দেশ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন না হওয়ায় প্রতিকার চেয়ে ২০২৪ সালে হাইকোর্টে রিট করেন তিনি।

রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে একই বছর রুল জারি করেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি জোর করে নেওয়া পদত্যাগপত্রের কার্যকারিতা তিন মাসের জন্য স্থগিত করা হয়। পরে গত ২০ আগস্ট রুল নিষ্পত্তি করে চূড়ান্ত রায় দেন আদালত।

হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

রায়ের পর্যবেক্ষণে হাইকোর্ট বলেন, রিট আবেদনকারীর পদত্যাগের কোনো আইনগত বৈধতা ছিল না। তিনি ২০২৫ সালের জুলাই পর্যন্ত এমপিওর আওতায় বেতন-ভাতা পেয়েছেন।

আদালত বলেন, এ অবস্থায় বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ আইনগতভাবে আলকাছ উদ্দিন আহমেদকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দিতে এবং চাকরিতে বহাল রাখতে বাধ্য। ফলে তিনি অবিলম্বে স্বপদে পুনর্বহালের অধিকারী।

রায়ে আরও বলা হয়, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ হিসেবে শিক্ষা বোর্ডের আইনগত এখতিয়ার রয়েছে পরিচালনা পর্ষদের প্রস্তাবিত যেকোনো শৃঙ্খলামূলক বা শাস্তিমূলক পদক্ষেপ পর্যালোচনা, অনুমোদন, সংশোধন বা বাতিল করার। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতাও বোর্ডের রয়েছে।

আদালত বলেন, শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের প্রতি জারি করা নির্দেশনা তাদের জন্য বাধ্যতামূলক ছিল। ওই নির্দেশনা ইচ্ছাকৃতভাবে পালন না করা অসদুপায়, স্বেচ্ছাচারিতা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের শামিল। এ ধরনের আচরণ ন্যায়বিচার, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও সমতার নীতির পরিপন্থী।

শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা বাস্তবায়নে বিবাদীদের আইনগত বাধ্যবাধকতা ছিল উল্লেখ করে হাইকোর্ট বলেন, তাদের নিষ্ক্রিয়তা, প্রশাসনিক অবহেলা ও সংবিধিবদ্ধ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা রিটকারীর বৈধ অধিকার লঙ্ঘনের শামিল।

নির্দেশনা অমান্য করলে ব্যবস্থা

হাইকোর্ট বলেন, রিটকারীর স্বপদে পুনর্বহাল নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে হবে। বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের মাধ্যমে তাকে পুনর্বহালের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদালতের এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) নির্দেশনা অমান্যকারী সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবেন।

এর মধ্যে বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ বাতিল, পর্ষদের সভাপতিকে অপসারণ এবং প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক—যিনি পরিচালনা পর্ষদের সদস্যসচিব—এর এমপিও বন্ধের মতো ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

আদালতের এ রায়ের ফলে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করা শিক্ষকদের পুনর্বহালের ক্ষেত্রে আইনি প্রতিকারের পথ আরও সুস্পষ্ট হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জোর করে শিক্ষককে পদত্যাগে বাধ্য করার বৈধতা নেই, পুনর্বহালের নির্দেশ হাইকোর্টের

আপডেট সময় : ০৯:১৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কোনো শিক্ষকের কাছ থেকে জোর করে নেওয়া পদত্যাগপত্রের আইনগত বৈধতা নেই বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করা শিক্ষককে স্বপদে পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়ন না করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ বাতিল, পর্ষদের সভাপতিকে অপসারণ এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের এমপিও বন্ধের মতো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশও করেছেন হাইকোর্ট।

গাজীপুরের কালিয়াকৈরের গোলাম নবী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলকাছ উদ্দিন আহমেদকে জোর করে পদত্যাগে বাধ্য করার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে এ রায় দেওয়া হয়।

বিচারপতি মো. ইকবাল কবির ও বিচারপতি এস এম সাইফুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ২০ আগস্ট রুল নিষ্পত্তি করে এ রায় দেন। বিচারপতিদের স্বাক্ষরের পর সম্প্রতি রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়েছে।

রায়ে হাইকোর্ট বলেন, রিটকারীর পদত্যাগপত্র স্বেচ্ছায় বা নিজের ইচ্ছায় দেওয়া হয়নি; বরং তার স্বাক্ষর জোরপূর্বক নেওয়া হয়েছিল। এ ধরনের পদত্যাগের কোনো আইনগত বৈধতা নেই। আইন বা বিধি জোরপূর্বক কিংবা চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে নেওয়া পদত্যাগকে সমর্থন করে না।

যেভাবে মামলা

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, মো. আলকাছ উদ্দিন আহমেদ গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার গোলাম নবী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট একদল দুষ্কৃতকারী তার অনিচ্ছা সত্ত্বেও জোর করে একটি পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর নেয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরদিন এ ঘটনায় কালিয়াকৈর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন আলকাছ উদ্দিন।

পরে ২০ আগস্ট জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং ২৪ আগস্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে বিষয়টি জানান তিনি। একই সঙ্গে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছেও আইনি প্রতিকার ও হস্তক্ষেপ চেয়ে আবেদন করেন।

ঘটনার বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আলকাছ উদ্দিন আহমেদকে স্বপদে বহাল করার নির্দেশ দেয় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। তবে সেই নির্দেশ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন না হওয়ায় প্রতিকার চেয়ে ২০২৪ সালে হাইকোর্টে রিট করেন তিনি।

রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে একই বছর রুল জারি করেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি জোর করে নেওয়া পদত্যাগপত্রের কার্যকারিতা তিন মাসের জন্য স্থগিত করা হয়। পরে গত ২০ আগস্ট রুল নিষ্পত্তি করে চূড়ান্ত রায় দেন আদালত।

হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

রায়ের পর্যবেক্ষণে হাইকোর্ট বলেন, রিট আবেদনকারীর পদত্যাগের কোনো আইনগত বৈধতা ছিল না। তিনি ২০২৫ সালের জুলাই পর্যন্ত এমপিওর আওতায় বেতন-ভাতা পেয়েছেন।

আদালত বলেন, এ অবস্থায় বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ আইনগতভাবে আলকাছ উদ্দিন আহমেদকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দিতে এবং চাকরিতে বহাল রাখতে বাধ্য। ফলে তিনি অবিলম্বে স্বপদে পুনর্বহালের অধিকারী।

রায়ে আরও বলা হয়, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ হিসেবে শিক্ষা বোর্ডের আইনগত এখতিয়ার রয়েছে পরিচালনা পর্ষদের প্রস্তাবিত যেকোনো শৃঙ্খলামূলক বা শাস্তিমূলক পদক্ষেপ পর্যালোচনা, অনুমোদন, সংশোধন বা বাতিল করার। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতাও বোর্ডের রয়েছে।

আদালত বলেন, শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের প্রতি জারি করা নির্দেশনা তাদের জন্য বাধ্যতামূলক ছিল। ওই নির্দেশনা ইচ্ছাকৃতভাবে পালন না করা অসদুপায়, স্বেচ্ছাচারিতা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের শামিল। এ ধরনের আচরণ ন্যায়বিচার, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও সমতার নীতির পরিপন্থী।

শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা বাস্তবায়নে বিবাদীদের আইনগত বাধ্যবাধকতা ছিল উল্লেখ করে হাইকোর্ট বলেন, তাদের নিষ্ক্রিয়তা, প্রশাসনিক অবহেলা ও সংবিধিবদ্ধ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা রিটকারীর বৈধ অধিকার লঙ্ঘনের শামিল।

নির্দেশনা অমান্য করলে ব্যবস্থা

হাইকোর্ট বলেন, রিটকারীর স্বপদে পুনর্বহাল নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে হবে। বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের মাধ্যমে তাকে পুনর্বহালের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদালতের এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) নির্দেশনা অমান্যকারী সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবেন।

এর মধ্যে বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ বাতিল, পর্ষদের সভাপতিকে অপসারণ এবং প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক—যিনি পরিচালনা পর্ষদের সদস্যসচিব—এর এমপিও বন্ধের মতো ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

আদালতের এ রায়ের ফলে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করা শিক্ষকদের পুনর্বহালের ক্ষেত্রে আইনি প্রতিকারের পথ আরও সুস্পষ্ট হতে পারে।