ঢাকা ১১:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যথাসময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে: মঈন খান বঙ্গভবনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে: আইনমন্ত্রী দুই দিনে বাংলাদেশের বিপক্ষে জয় দিয়ে প্রতিশোধ অস্ট্রেলিয়ার বাড়ির ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেয়ায় হত্যা ‘রক অ্যান্ড রোল হল অব ফেমের‘ মনোনয়নে ফিল কলিন্স, ওয়েসিস, পিংক ও শাকিরা ইরানে দুই স্কুলে ইসরায়েলি হামলা, নিহত অর্ধ-শতাধিক পাঁচ মামলায় জামিন পেলেও মুক্তি পাননি, নতুন মামলায় গ্রেপ্তার আইভী কেন যুদ্ধ করছে পাকিস্তান-আফগানিস্তান? ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১ চুক্তি ও ৮ সমঝোতা স্মারক সই

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১২:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ মার্চ ২০২৫ ০ বার পড়া হয়েছে

চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাক্ষাৎ

নিউজ ডেস্ক, ঢাকা ফ্ল্যাশ

বেইজিং, ২৮ মার্চ: বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। শুক্রবার সকালে বেইজিংয়ের পিপলস গ্রেট হলে এ গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংক্রান্ত বিভিন্ন ইস্যুতে গভীর আলোচনা হয় এবং একাধিক চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে একটি চুক্তি এবং আটটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। চুক্তিটি হলো অর্থনৈতিক ও কারিগরি সহযোগিতা সংক্রান্ত। এছাড়া স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

  • ক্লাসিক সাহিত্যের অনুবাদ ও প্রকাশনা
  • সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে বিনিময় ও সহযোগিতা
  • সংবাদ ও গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতা
  • ক্রীড়া ও স্বাস্থ্য খাতে যৌথ উদ্যোগ

পাঁচটি যৌথ ঘোষণা

দুই দেশ পাঁচটি যৌথ ঘোষণা দিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে:

  • বিনিয়োগ বিষয়ক আনুষ্ঠানিক আলোচনার সূচনা
  • চীনা শিল্প-অর্থনৈতিক অঞ্চল চালুর ঘোষণা
  • মংলা বন্দরের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণে বাণিজ্যিক চুক্তি
  • রোবট ফিজিওথেরাপি ও পুনর্বাসন কেন্দ্র নির্মাণ
  • কার্ডিয়াক সার্জারি যানবাহন অনুদান প্রদান

সফরের বিবরণ

ড. ইউনূস বুধবার (২৬ মার্চ) চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে চীন যান। বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে তার বিশেষ ফ্লাইট চীনের হাইনান প্রদেশের কিয়োংহাই বোয়াও আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। সেখানে তাকে স্বাগত জানান বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলাম এবং হাইনান প্রদেশের ভাইস গভর্নর।

প্রধান উপদেষ্টার এই সফর আগামী ২৯ মার্চ শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই সফরে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১ চুক্তি ও ৮ সমঝোতা স্মারক সই

আপডেট সময় : ১০:১২:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ মার্চ ২০২৫

নিউজ ডেস্ক, ঢাকা ফ্ল্যাশ

বেইজিং, ২৮ মার্চ: বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। শুক্রবার সকালে বেইজিংয়ের পিপলস গ্রেট হলে এ গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংক্রান্ত বিভিন্ন ইস্যুতে গভীর আলোচনা হয় এবং একাধিক চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে একটি চুক্তি এবং আটটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। চুক্তিটি হলো অর্থনৈতিক ও কারিগরি সহযোগিতা সংক্রান্ত। এছাড়া স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

  • ক্লাসিক সাহিত্যের অনুবাদ ও প্রকাশনা
  • সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে বিনিময় ও সহযোগিতা
  • সংবাদ ও গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতা
  • ক্রীড়া ও স্বাস্থ্য খাতে যৌথ উদ্যোগ

পাঁচটি যৌথ ঘোষণা

দুই দেশ পাঁচটি যৌথ ঘোষণা দিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে:

  • বিনিয়োগ বিষয়ক আনুষ্ঠানিক আলোচনার সূচনা
  • চীনা শিল্প-অর্থনৈতিক অঞ্চল চালুর ঘোষণা
  • মংলা বন্দরের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণে বাণিজ্যিক চুক্তি
  • রোবট ফিজিওথেরাপি ও পুনর্বাসন কেন্দ্র নির্মাণ
  • কার্ডিয়াক সার্জারি যানবাহন অনুদান প্রদান

সফরের বিবরণ

ড. ইউনূস বুধবার (২৬ মার্চ) চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে চীন যান। বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে তার বিশেষ ফ্লাইট চীনের হাইনান প্রদেশের কিয়োংহাই বোয়াও আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। সেখানে তাকে স্বাগত জানান বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলাম এবং হাইনান প্রদেশের ভাইস গভর্নর।

প্রধান উপদেষ্টার এই সফর আগামী ২৯ মার্চ শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই সফরে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।