ঢাকা ০২:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যথাসময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে: মঈন খান বঙ্গভবনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে: আইনমন্ত্রী দুই দিনে বাংলাদেশের বিপক্ষে জয় দিয়ে প্রতিশোধ অস্ট্রেলিয়ার বাড়ির ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেয়ায় হত্যা ‘রক অ্যান্ড রোল হল অব ফেমের‘ মনোনয়নে ফিল কলিন্স, ওয়েসিস, পিংক ও শাকিরা ইরানে দুই স্কুলে ইসরায়েলি হামলা, নিহত অর্ধ-শতাধিক পাঁচ মামলায় জামিন পেলেও মুক্তি পাননি, নতুন মামলায় গ্রেপ্তার আইভী কেন যুদ্ধ করছে পাকিস্তান-আফগানিস্তান? ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আজ খুলছে কুয়েটের হল, সিন্ডিকেট সভায় সিদ্ধান্ত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:০৫:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ ০ বার পড়া হয়েছে

কুয়েটের হল খুলছে আজ, সিন্ডিকেট সভায় সিদ্ধান্ত

নিউজ ডেস্ক, ঢাকা ফ্ল্যাশ

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) আবাসিক হলগুলো আজ বুধবার বিকেলে খুলে দেওয়া হচ্ছে। দুপুরে সিন্ডিকেটের জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

উপাচার্যের নির্দেশক্রমে রেজিস্ট্রার মো. আনিছুর রহমান ভূঞা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, ১৪ এপ্রিল অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ১০১তম (জরুরি) সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক ৪ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব একাডেমিক কার্যক্রম চালু এবং ২ মে আবাসিক হলগুলো খোলার কথা ছিল। তবে আজ অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ১০২তম (জরুরি) সভার সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে হলগুলো বিকেলে খোলা হবে।

ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ১৮ ফেব্রুয়ারি কুয়েটে সংঘর্ষ হয়। এতে অনেকে আহত হন। এ ঘটনায় ২৫ ফেব্রুয়ারি সিন্ডিকেট সভায় অনির্দিষ্টকালের জন্য একাডেমিক কার্যক্রম ও হল বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ১৩ এপ্রিল বন্ধ থাকা কুয়েট ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন শিক্ষার্থীরা। এমন অবস্থার মধ্যে ১৪ এপ্রিল রাতে জরুরি সিন্ডিকেট সভা করে সহিংসতার ঘটনায় ৩৭ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া বন্ধ থাকা শিক্ষা কার্যক্রম ৪ মে এবং আবাসিক হলগুলো ২ মে খোলার ঘোষণা দেওয়া হয়।

এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে রাতে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। ছাত্ররা পরদিন ১৫ এপ্রিল দুপুরে একের পর এক হলের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। গতকাল মঙ্গলবার রাতে ছাত্রীরাও হলের তালা ভেঙে প্রবেশ করেন। বর্তমানে সব হলেই শিক্ষার্থীরা অবস্থান করছেন।

এখন শিক্ষার্থীরা উপাচার্য অপসারণের এক দফা দাবিতে আন্দোলন করছেন। তাঁদের অভিযোগ, ছাত্রদলের নেতা-কর্মী ও বহিরাগতরা ১৮ ফেব্রুয়ারি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালালেও উপাচার্য নিরাপত্তা দিতে পারেননি। উল্টো ২২ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ক্যাম্পাসের বাইরের একজন আদালতে মামলা করেছেন। এ ছাড়া ৩৭ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। এর মধ্যে হামলাকারী নন, বরং আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যাই বেশি।

জ/ক

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আজ খুলছে কুয়েটের হল, সিন্ডিকেট সভায় সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় : ১২:০৫:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫

নিউজ ডেস্ক, ঢাকা ফ্ল্যাশ

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) আবাসিক হলগুলো আজ বুধবার বিকেলে খুলে দেওয়া হচ্ছে। দুপুরে সিন্ডিকেটের জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

উপাচার্যের নির্দেশক্রমে রেজিস্ট্রার মো. আনিছুর রহমান ভূঞা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, ১৪ এপ্রিল অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ১০১তম (জরুরি) সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক ৪ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব একাডেমিক কার্যক্রম চালু এবং ২ মে আবাসিক হলগুলো খোলার কথা ছিল। তবে আজ অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ১০২তম (জরুরি) সভার সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে হলগুলো বিকেলে খোলা হবে।

ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ১৮ ফেব্রুয়ারি কুয়েটে সংঘর্ষ হয়। এতে অনেকে আহত হন। এ ঘটনায় ২৫ ফেব্রুয়ারি সিন্ডিকেট সভায় অনির্দিষ্টকালের জন্য একাডেমিক কার্যক্রম ও হল বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ১৩ এপ্রিল বন্ধ থাকা কুয়েট ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন শিক্ষার্থীরা। এমন অবস্থার মধ্যে ১৪ এপ্রিল রাতে জরুরি সিন্ডিকেট সভা করে সহিংসতার ঘটনায় ৩৭ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া বন্ধ থাকা শিক্ষা কার্যক্রম ৪ মে এবং আবাসিক হলগুলো ২ মে খোলার ঘোষণা দেওয়া হয়।

এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে রাতে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। ছাত্ররা পরদিন ১৫ এপ্রিল দুপুরে একের পর এক হলের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। গতকাল মঙ্গলবার রাতে ছাত্রীরাও হলের তালা ভেঙে প্রবেশ করেন। বর্তমানে সব হলেই শিক্ষার্থীরা অবস্থান করছেন।

এখন শিক্ষার্থীরা উপাচার্য অপসারণের এক দফা দাবিতে আন্দোলন করছেন। তাঁদের অভিযোগ, ছাত্রদলের নেতা-কর্মী ও বহিরাগতরা ১৮ ফেব্রুয়ারি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালালেও উপাচার্য নিরাপত্তা দিতে পারেননি। উল্টো ২২ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ক্যাম্পাসের বাইরের একজন আদালতে মামলা করেছেন। এ ছাড়া ৩৭ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। এর মধ্যে হামলাকারী নন, বরং আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যাই বেশি।

জ/ক