[t4b-ticker] সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ ‘প্রকৃতি ধ্বংসের চেষ্টা’, বলছে পরিবেশবাদী সংগঠন - Dhaka Flash



ব্রেকিং নিউজ:
আজ : ১৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, রবিবার প্রকাশ করা : এপ্রিল ১৯, ২০২৬

  • কোন মন্তব্য নেই

    সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ ‘প্রকৃতি ধ্বংসের চেষ্টা’, বলছে পরিবেশবাদী সংগঠন

    সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ ‘প্রকৃতি ধ্বংসের চেষ্টা’, বলছে পরিবেশবাদী সংগঠন

    ছবি: সংগৃহীত

    নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা ফ্ল্যাশ

    চট্টগ্রাম নগরীর ঐতিহ্যবাহী সেন্ট্রাল রেলওয়ে বিল্ডিং (সিআরবি) এলাকায় আবারও বেসরকারি হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ স্থাপনের উদ্যোগের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে পরিবেশবাদী সংগঠন পিপলস ভয়েস। সংগঠনটি এই উদ্যোগকে ‘গণবিরোধী’ ও ‘প্রকৃতি ধ্বংসের চেষ্টা’ আখ্যা দিয়ে অবিলম্বে তা থেকে সরে আসার দাবি জানিয়েছে।

    বিবৃতিতে যা বলা হয়েছে

    শনিবার (১৮ এপ্রিল) সংগঠনের সভাপতি শরীফ চৌহান ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মুহাম্মদ আতিকুর রহমান এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, “চট্টগ্রাম শহরের প্রাণ-প্রকৃতির অন্যতম আধার এবং ঐতিহাসিক গুরুত্বসম্পন্ন সিআরবিতে পরিবেশবিরোধী কোনো প্রকল্প বাস্তবায়নের চেষ্টা নগরবাসী মেনে নেবে না। অতীতেও একই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা জনআন্দোলনের মুখে ব্যর্থ হয়েছে।” সংগঠনটির নেতারা উল্লেখ করেন, সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণের বিরুদ্ধে শুধু চট্টগ্রাম নয়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরাও সোচ্চার হয়েছিলেন। প্রয়োজনে আবারও আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।

    বিবৃতিতে বলা হয়, দ্রুত নগরায়নের ফলে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে উন্মুক্ত প্রাকৃতিক পরিসর দিন দিন কমে যাচ্ছে। একটি শহরের জন্য প্রয়োজনীয় উন্মুক্ত স্থানের তুলনায় চট্টগ্রামে তা এখন প্রায় নেই বললেই চলে, যা পরিবেশের ভারসাম্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

    এই প্রেক্ষাপটে নতুন স্থাপনা নির্মাণের পরিবর্তে নগরীতে আরও উদ্যান ও সবুজ এলাকা গড়ে তোলা এবং বিদ্যমান প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণে সরকারের উদ্যোগ নেওয়া উচিত বলে মনে করে সংগঠনটি।

    পিপলস ভয়েস জানায়, অতীতে সিআরবিতে বেসরকারি হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগের বিরুদ্ধে টানা ৪৮৩ দিন আন্দোলন চালিয়ে তা প্রতিহত করেছিলেন নগরবাসী।

    সরকারের প্রতি আহ্বান

    সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সংগঠনটি বলে, সিআরবিতে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং পরিবেশ রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। অন্যথায়, পরিবেশবিরোধী এ প্রকল্প বাস্তবায়নের চেষ্টা হলে আবারও আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে নগরবাসী।